এখানে টিকে থাকা সহজ, রান করা কঠিন: মুমিনুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক চট্টগ্রাম থেকে
প্রকাশিত: ০৬:৪৩ পিএম, ১৯ মে ২০২২

চট্টগ্রাম টেস্টে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সমানে সমান লড়াই করেছে বাংলাদেশ দল। লঙ্কানদের ৩৯৭ রানের জবাবে বাংলাদেশ করে ৪৬৫ রান। পরে দ্বিতীয় ইনিংসেও ১৬১ রানের মধ্যে তুলে নিয়েছিল সফরকারীদের ৬ উইকেট। তবু মেলেনি জয়, নিষ্ফলা ড্র নিয়েই থাকতে হয়েছে সন্তুষ্ট।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মুমিনুল হক জানালেন, শেষ দিন ৬ উইকেট পড়ার পর আরেকটি উইকেট নিতে পারলেই সম্ভাবনা বেড়ে যেতো। কিন্তু সেটি হতে দেননি নিরোশান ডিকভেলা ও দিনেশ চান্দিমাল। তাদের অবিচ্ছিন্ন ৯৯ রানের জুটিতে শ্রীলঙ্কা ড্র নিশ্চিত করেছে।

অথচ বাংলাদেশের সামনে সুযোগ ছিল চতুর্থদিনেই জয়ের জন্য যথেষ্ট রান করে রাখার। বিশেষ করে প্রথম সেশনে কোনো উইকেট না হারানোর পর দ্বিতীয় সেশনে দ্রুত রান তুলতে পারলেই বড় লিড নিয়ে লঙ্কানদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা যেতো। কিন্তু হয়নি সেটি। বাংলাদেশ ওভারপ্রতি রান তুলেছে পৌনে তিনেরও কম।

এ প্রসঙ্গে আত্মপক্ষ সমর্থন করে টাইগার অধিনায়ক জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের উইকেটে টিকে থাকা যতটা সহজ, রান তোলা যেনো ততটাই কঠিন। এছাড়া দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে লিটন দাস ও তামিম ইকবাল আউট হওয়ায় দ্রুত রান তোলার দিকে যেতে পারেনি বাংলাদেশ।

সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল বলেছেন, 'যদি পাঁচদিনের খেলা দেখেন, ওদের ব্যাটিং দেখেন, আমাদের ব্যাটিংও দেখেন..., এই উইকেটে আপনি টিকে থাকতে পারবেন। কিন্তু যদি বেশি রোমাঞ্চিত হয়ে যান তাহলে উইকেট পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।'

তিনি আরও যোগ করেন, 'লিটন আউট না হলে হয়তো আমরা ওই সুযোগটা নিতে পারতাম। যেটা নিতে গিয়ে তখন ২-৩ উইকেট পড়ে যায়। লিটন যদি আরও এক ঘণ্টা খেলতে পারতো তাহলে হয়তো অন্যরকম হতে পারতো। চট্টগ্রামের এই উইকেটে এক রান নিতে পারেন। কিন্তু বেশি মারতে গেলে আউট হওয়ার সুযোগ বেশি থাকে।'

পুরোপুরি ব্যাটিংবান্ধব, বোলারদের জন্য কিছুই না থাকা এমন উইকেট নিয়ে কতটা সন্তুষ্ট বা এমন উইকেটে দলের চাওয়া পূরণ হয়েছে কি না জানতে চাওয়া হয় মুমিনুলের কাছে। এর সরাসরি উত্তর দেননি তিনি। বরং চট্টগ্রামের উইকেট এমন আচরণই করে থাকে জানান টাইগার অধিনায়ক।

তার ভাষ্য, 'চট্টগ্রামের উইকেট এরকই থাকে। এর আগে তো এমন উইকেটে স্পিনাররাও সাহায্য পায়নি। এবার কিছুটা সাহায্য পেয়েছে। চট্টগ্রামের উইকেট সবসময় এরকমই থাকে। আমার কাছে মনে হয় আরেকটু যদি মাঝখান দিয়ে একটা উইকেট বের করতে পারতাম তাহলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারতো।'

এসএএস/আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]