শ্রীলঙ্কায় অর্থ রাখলে মিলবে ‘গোল্ডেন ভিসা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৫৩ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২২
ছবি: সংগৃহীত

চরম অর্থসংকটের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদী ভিসা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রাখলে অথবা বাড়ি কিনলে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের অনুমতি পাবেন বিদেশিরা।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, শ্রীলঙ্কায় ন্যূনতম এক লাখ মার্কিন ডলার (৮৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা প্রায়) ডিপোজিট করলে গোল্ডেন প্যারাডাইজ ভিসা প্রোগ্রামের আওতায় বিদেশিরা দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ১০ বছর বসবাস ও কাজের অনুমতি পাবেন। তবে শর্ত হলো- তারা যতদিন শ্রীলঙ্কায় থাকবেন, ততদিন ন্যূনতম ওই অর্থ স্থানীয় কোনো ব্যাংকে জমা রাখতে হবে।

এদিন শ্রীলঙ্কা সরকার পাঁচ বছর মেয়াদী আরেকটি ভিসার অনুমোদন দিয়েছে। দেশটিতে অ্যাপার্টমেন্ট কিনতে ন্যূনতম ৭৫ হাজার ডলার (৬৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা প্রায়) খরচ করলে পাঁচ বছরের ভিসা পাবেন বিদেশিরা।

লঙ্কান গণমাধ্যম মন্ত্রী নালাকা গোদাহেওয়া স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেছেন, স্বাধীনতার পর থেকে সবচেয়ে ভয়াবহ আর্থিক সংকট চলাকালে এই কর্মসূচি আমাদের (অর্থসংস্থানে) সাহায্য করবে।

jagonews24

মারাত্মক অর্থসংকটের মুখে সম্প্রতি ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। লঙ্কান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের পদত্যাগ দাবিতে তার কার্যালয়ের বাইরে ক্যাম্প বসিয়ে বিক্ষোভ করছে হাজার হাজার মানুষ।

করোনাভাইরাস মহামারিতে পর্যটন শিল্প বন্ধ ও রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়া থেকে শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক সংকট গুরুতর আকার ধারণ করে। বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে জ্বালানি আমদানি কমে যাওয়ায় বৈদ্যুতিক লোডশেডিং নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে ওঠে। তেলের দোকানের সামনে বাড়তে শুরু করে মানুষের লাইন। হাসপাতালগুলোতেও দেখা দেয় জরুরি ওষুধের ঘাটতি।

ভয়াবহ এই সংকট কাটাতে প্রবাসীদের কাছে অনুদান চেয়েছে লঙ্কান সরকার। বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বাঁচাতে বিদেশি ঋণের কিস্তি দেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছে তারা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে জরুরি ঋণসহায়তার জন্য গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র গেছেন লঙ্কান সরকারের প্রতিনিধিরা।

সূত্র: আল জাজিরা

কেএএ/এএসএম

টাইমলাইন  

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।