সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৮ পিএম, ০৪ নভেম্বর ২০২১

সবার জন্য সাশ্রয়ী, টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) গ্লাসগোতে 'কপ-২৬ এনার্জি ট্রানজিশন কাউন্সিল (কপ-২৬ ইটিসি) মিনিস্ট্রিয়াল ইভেন্ট'– এ বক্তব্যকালে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

নসরুল হামিদ বলেন, নবায়ণযোগ্য জ্বালানি প্রসারে বাংলাদেশের গৃহীত কৌশলপত্র পরিচ্ছন্ন জ্বালানির প্রসারে কার্যকরী অবদান রাখছে। জ্বালানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সম্মিলিতভাবে কাজ করা আবশ্যক। উন্নত প্রযুক্তি, গবেষণা ও আর্থিক সহযোগিতার সমন্বয় করা সম্ভব হলে নবায়ণযোগ্য জ্বালানির ব্যাপক প্রসার নিশ্চিত হবে।

বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির প্রসারে এনার্জি ট্রানজিশন কাউন্সিল ও সংশ্লিষ্ঠ সকলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চায় জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার কমে আসছে। ইতোমধ্যে আট হাজার ৪৫১ মেগাওয়াটের ১০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। যেখানে বিনিয়োগ ছিল প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের জন্য কম জমি লাগে এমন প্রযুক্তি প্রয়োজন। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র করা দুরূহ। তাই সোলার হোম সিস্টেম ও সোলার মিনি গ্রিডের মতো প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। ৬০ লাখ সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি গ্রামীণ জনগণ বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে।

বায়োমাস জ্বালানি বাংলাদেশের মোট প্রাথমিক জ্বালানি সরবরাহ খাতের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান জানিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের সংখ্যা এক লাখের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, ওশান এনার্জি হতে বিদ্যুৎ ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণায় এনার্জি ট্রানজিশন কাউন্সিলরের সহযোগিতাকে স্বাগত জানানো হবে। পরিষ্কার জ্বালানি আমদানিতেও সরকার কাজ করছে। সকলের জন্য সাশ্রয়ী, টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জোরদার করা অত্যাবশ্যক।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, কপ-২৬ ইটিসির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বৈশ্বিক নেতৃত্বকে একত্রিত করে এনার্জি ট্রানজিশনকে ত্বরান্বিত করা এবং পরিষ্কার জ্বালানির জন্য অর্থায়নকে সহজ করা। ইটিসি ফোকাস দেশগুলো হলো -বাংলাদেশ, মিশর, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, লাওস, মরোক্কো, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সির পরিচালক ইলিজাবেদ প্রেসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কমিশনার কাদরি সিম্পসন ও ইটিসি ফোকাস দেশগুলোর মন্ত্রীরা।

আরএমএম/কেএসআর/জিকেএস

টাইমলাইন  

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]