নদীর পানি থেকে মহাসাগরের বালু—সবই আছে লোকায়ন জাদুঘরে

তানভীর হাসান তানু তানভীর হাসান তানু ঠাকুরগাঁও
প্রকাশিত: ০৫:৫৪ পিএম, ১৮ মে ২০২৬
সন্তানকে নিয়ে লোকায়ন জীবন বৈচিত্র্য জাদুঘর পরিদর্শনে এসেছেন দর্শনার্থী/ ছবি : জাগো নিউজ
  • বাংলার গ্রামীণ জীবনের শত শত উপকরণ রয়েছে
  • বিশ্বের পাঁচ মহাসাগরের বালু জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে
  • সুইচ চাপলেই শোনা যায় বিভিন্ন জেলার আঞ্চলিক ভাষা

ঠাকুরগাঁওয়ে গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমধর্মী এক জাদুঘর, যেখানে শুধু পুরোনো সামগ্রীই নয়—ধরে রাখা হয়েছে মানুষের জীবন, সংস্কৃতি আর সভ্যতার স্মৃতি। দেশের প্রায় ২০০ নদ-নদীর পানি থেকে শুরু করে পাঁচ মহাসাগরের বালু, গ্রামবাংলার লোকজ উপকরণ, আঞ্চলিক ভাষা ও তৃণমূল মানুষের জীবনসংগ্রামের অসংখ্য নিদর্শনে সমৃদ্ধ ‘লোকায়ন জীবন বৈচিত্র্য জাদুঘর’ হয়ে উঠেছে শিকড় খোঁজার এক অনন্য ঠিকানা।

সদর উপজেলার পূর্ব আকচা গ্রামে প্রায় ২৫ একর জায়গাজুড়ে সবুজে ঘেরা মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘর যেন গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ইতিহাসের এক জীবন্ত দলিল। স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামানের উদ্যোগে ২০০৬ সালে ‘অস্তিত্বের সন্ধানে, শিকড়ের টানে’ স্লোগান নিয়ে জাদুঘরের যাত্রা শুরু করে।

‘দেশ-বিদেশের অনেক জাদুঘরে শ্রমজীবী মানুষের ইতিহাস আড়ালেই রয়ে গেছে। সংগ্রামী মানুষের জীবনগাঁথা চিরজাগ্রত রাখতেই আমাদের এই প্রয়াস’

জাদুঘরে রাজাদের বীরত্বগাঁথার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে সাধারণ মানুষের ঘামঝরা জীবন। কৃষক, জেলে, কামার, কুমার, তাঁতি, দিনমজুর, আদিবাসী জনগোষ্ঠী—সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও সংগ্রামের অসংখ্য নিদর্শন সংরক্ষিত হয়েছে।

তৃণমূল মানুষের জীবনযাত্রার বিশাল সংগ্রহশালা

লোকায়নের তৃণমূল লোকজ গ্যালারিতে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে বাংলার গ্রামীণ জীবনের শত শত উপকরণ। কৃষকের লাঙল, জোয়াল, মই, ফলা, দা, কাস্তে, নিড়ানি, ধান রাখার ডুবি থেকে শুরু করে ইঁদুর ধরার ফাঁদ, গরুর গলার ঘুগরা কিংবা টুনা—সবই যেন গ্রামবাংলার হারানো দিনের গল্প বলে।

নদীর পানি থেকে মহাসাগরের বালু—সবই আছে লোকায়ন জাদুঘরেজাদুঘরে স্থান পেয়েছে গৃহস্থালি জীবনের ব্যবহৃত জিনিষপত্রের/ ছবি: জাগো নিউজ

গৃহস্থালি জীবনের ব্যবহৃত ঢেঁকি, জাঁতা, ছাম-গাইন, হাতুড়ি, কোদাল, কুঠার, কামারের হাপর, দড়ি পাকানোর ঢ্যারা, মাছ ধরার চাঁই, পলো, জাল, খড়ম, মোড়া, পিঁড়ি, হুঁকা, কুপি ও হাতপাখাও এখানে সংরক্ষিত রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাক, ঢোল, মাদল, বাঁশি, একতারা, দোতারা, সানাই, পালকি, টোপর, কুলা, চালনি, শিলপাটা, তরবারি, ঢাল, তীর-ধনুক, বল্লমসহ শতাধিক বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন
আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস আজ
বিলুপ্ত-বিরল মাছের অনন্য সংগ্রহশালা চাঁদপুরের ফিশ মিউজিয়াম
১৭০ বছরের ইতিহাস ধরে রেখেছে দেশের একমাত্র চা জাদুঘর
হাজার নিদর্শনের জাদুঘরে দিনে দর্শনার্থী আসে মাত্র ২৫-৩০ জন

নদীর পানি ও মহাসাগরের বালুর অনন্য সংগ্রহ

লোকায়ন জাদুঘরের সবচেয়ে বিস্ময়কর অংশগুলোর একটি হলো ‘নদী গ্যালারি’। এখানে কাচের বোতলে সংরক্ষণ করা হয়েছে দেশের প্রায় ২০০ নদ-নদীর পানি। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, আড়িয়াল খাঁ, কীর্তনখোলা, রূপসাসহ অসংখ্য নদীর পানি যেমন আছে, তেমনি রয়েছে বিলুপ্ত ও বিলুপ্তপ্রায় নদীর পানিও।

‘লোকায়ন কোনো আভিধানিক শব্দ নয়। লোকজ সংস্কৃতি, শ্রমজীবী মানুষের জীবন-জীবিকা ও সংগ্রামের উপকরণ নিয়ে গড়ে ওঠা এই জাদুঘর মানুষের জন্যই—তাই এর নাম লোকায়ন’

শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন নদীর পানিও স্থান পেয়েছে এখানে। টেমস, টাফ, নীল নদসহ বিদেশি নদীর পানি যেমন সংরক্ষিত আছে, তেমনি বঙ্গোপসাগর, আরব সাগর, আন্দামান সাগর ও মর্মর সাগরের পানিও সংগ্রহে রয়েছে।

আরও বিস্ময়ের বিষয় এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে বিশ্বের পাঁচ মহাসাগরের বালু—প্রশান্ত, আটলান্টিক, ভারত, উত্তর ও দক্ষিণ মহাসাগরের বালু। প্রতিটি বোতলে উল্লেখ রয়েছে সংগ্রহের স্থান, তারিখ ও সংগ্রাহকের নাম।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বলছে, নদীকেন্দ্রিক সভ্যতা ও পরিবেশ সম্পর্কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৬৪ জেলার আঞ্চলিক ভাষা শোনার সুযোগ

জাদুঘরের আরেকটি ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘ভাষা গ্যালারি’। এখানে বাংলাদেশের ৬৪ জেলার জন্য রয়েছে ৬৪টি আলাদা সুইচ। কোনো জেলার সুইচ চাপলেই সেই জেলার আঞ্চলিক ভাষায় ভেসে আসে স্বাগত বার্তা।

নদীর পানি থেকে মহাসাগরের বালু—সবই আছে লোকায়ন জাদুঘরেদেশের প্রায় ২০০ নদ-নদীর পানি সংরক্ষণ করা আছে জাদুঘরে/ ছবি: জাগো নিউজ

বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষা সংরক্ষণে এটি নিঃসন্দেহে এক অভিনব ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ বলে মনে করছেন দর্শনার্থীরা।

মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাসের দুর্লভ সংগ্রহ

লোকায়ন জাদুঘরে গড়ে তোলা হয়েছে সমৃদ্ধ ‘মুক্তিযুদ্ধ গ্যালারি’। এখানে ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত নানা ঐতিহাসিক আলোকচিত্র, সংবাদপত্র, দলিল ও স্মারক সংরক্ষিত রয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত নানা সামগ্রী, রণাঙ্গনের ইতিহাস, উত্তরাঞ্চলের বধ্যভূমির মাটি, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও তথ্যচিত্র নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরছে।

‘বিশ্বে অনেক জাদুঘর আছে, কিন্তু সেখানে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের ইতিহাস খুব কমই দেখা যায়। লোকায়ন জাদুঘর খেটে খাওয়া মানুষের জীবন ও সংস্কৃতিকে যেভাবে তুলে ধরেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়’

জাদুঘর প্রাঙ্গণে নির্মাণ করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘অপরাজেয় ৭১’ এবং ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে’ নামে ভাস্কর্য।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির অনন্য উপস্থাপন

সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, সংস্কৃতি, পোশাক, খাদ্যাভ্যাস, বাসস্থান, পেশা ও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানের নানা উপকরণ নিয়ে সাজানো হয়েছে পৃথক গ্যালারি।

সাঁওতাল, ওঁরাও, কোল, কোচ, বর্মনসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির অসংখ্য নিদর্শন সংরক্ষণের মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে তুলে ধরা হয়েছে এখানে।

ঠাকুরগাঁও আদিবাসী পরিষদের নেতা বিষু মহমু বলেন, এ অঞ্চলের সাঁওতাল, ওরাওঁসহ সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বিলুপ্তপ্রায় আদিবাসী সংস্কৃতি ও কৃষ্টির সুরক্ষায় অত্যন্ত ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আদিবাসীরা যখন তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উপাদানগুলো হারিয়ে ফেলছিলেন, তখন এই জাদুঘরের ‘সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী গ্যালারি’ তাদের প্রাচীন জীবনধারা ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত করে রাখছে।

উৎসব, সংস্কৃতি ও গ্রামীণ আবহ

লোকায়ন শুধু একটি জাদুঘর নয়, এটি যেন জীবন্ত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এখানে নিয়মিত আয়োজন করা হয় পহেলা বৈশাখ, বর্ষামঙ্গল, নবান্ন, পিঠা উৎসব, ফল উৎসব ও লোকজ মেলার মতো আয়োজন।

নদীর পানি থেকে মহাসাগরের বালু—সবই আছে লোকায়ন জাদুঘরেগৃহস্থালি জীবনের ব্যবহৃত সরঞ্জাম/ ছবি: জাগো নিউজ

এসব অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় ধামাইল, কবিগান, লোকগীতি, আদিবাসী নৃত্য ও সংগীত। অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় কলাপাতা ও মাটির বাসনে, যা দর্শনার্থীদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় গ্রামীণ বাংলার চিরচেনা আবহে।

শিশুদের জন্যও রয়েছে বিশেষ আয়োজন

জাদুঘরে বেড়াতে আসা শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে দোলনা, চড়কি, ঢেঁকিসহ নানা ধরনের গ্রামীণ খেলনা। গাছপালায় ঘেরা পুরো প্রাঙ্গণে বাঁশের মাচা, গাছের গুঁড়ি দিয়ে তৈরি চেয়ার-টেবিল দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ যোগ করে।

আরও পড়ুন
ফসিল থেকে একতারা—সবই আছে, নেই শুধু দর্শনার্থী
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতি জাদুঘরে নেই কোনো স্মৃতিচিহ্ন
জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত হেরিটেজ ঘোষণা করা হবে: অর্থমন্ত্রী
হারিয়ে গেছে মহাস্থান জাদুঘরের একটি মূর্তি, জানা গেলো ১৯ বছর পর

দর্শনার্থীদের মুগ্ধতা

জাদুঘরে ঘুরতে আসা শিক্ষার্থী ওয়াজিহা জান্নাত বলেন, বিশ্বে অনেক জাদুঘর আছে, কিন্তু সেখানে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের ইতিহাস খুব কমই দেখা যায়। লোকায়ন জাদুঘর খেটে খাওয়া মানুষের জীবন ও সংস্কৃতিকে যেভাবে তুলে ধরেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান জাগো নিউজকে বলেন, লোকায়ন কোনো আভিধানিক শব্দ নয়। লোকজ সংস্কৃতি, শ্রমজীবী মানুষের জীবন-জীবিকা ও সংগ্রামের উপকরণ নিয়ে গড়ে ওঠা এই জাদুঘর মানুষের জন্যই—তাই এর নাম লোকায়ন।

তিনি আরও বলেন, দেশ-বিদেশের অনেক জাদুঘরে শ্রমজীবী মানুষের ইতিহাস আড়ালেই রয়ে গেছে। সংগ্রামী মানুষের জীবনগাঁথা চিরজাগ্রত রাখতেই আমাদের এই প্রয়াস।

ঠাকুরগাাওয়ের প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও গবেষক প্রফেসর মনতোষ কুমার জাগো নিউজকে বলেন, শহরের নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা এখন বইয়ের বাইরে এসে নিজেদের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে সরাসরি স্পর্শ করতে পারছে। এটি তরুণদের মধ্যে নিজেদের ঐতিহ্য নিয়ে গর্ব করতে শেখাচ্ছে।

লোকায়নের উন্মুক্ত মঞ্চ এবং চত্বর এখন স্থানীয় কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার ও বাউল শিল্পীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। এখানে নিয়মিত লোক উৎসব, মেলা ও সেমিনার হওয়ার কারণে ঝিমিয়ে পড়া সাংস্কৃতিক অঙ্গন আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

নদীর পানি থেকে মহাসাগরের বালু—সবই আছে লোকায়ন জাদুঘরেজাদুঘরে সংরক্ষণ করা আছে মহাসগরের বালু/ ছবি: জাগো নিউজ

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, লোকায়নের কারণে ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিনিয়ত দেশ-বিদেশের গবেষক, পর্যটক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এখানে আসছেন। এতে জেলার পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটছে এবং স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে।

কীভাবে যাবেন

দেশের যেকোনো স্থান থেকে বাস, ট্রেন কিংবা ব্যক্তিগত পরিবহনে ঠাকুরগাঁও যাওয়া যায়। এছাড়া কমলাপুর বা বিমানবন্দর রেলস্টেশন থেকেও ট্রেনে ঠাকুরগাঁও পৌঁছানো যায়। ঠাকুরগাঁও শহর থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় ডায়াবেটিস হাসপাতালের পাশের রাস্তা দিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় লোকায়ন জীবন বৈচিত্র্য জাদুঘরে।

কোথায় থাকবেন

ঠাকুরগাঁও শহরের নর্থ সার্কুলার রোডে রয়েছে বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল। এছাড়া সার্কিট হাউস ও জেলা পরিষদ রেস্ট হাউসেও থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

বাংলার শেকড়, লোকজ সংস্কৃতি, নদী, ভাষা, সংগ্রাম আর সাধারণ মানুষের জীবনগাঁথাকে এক সুতোয় গেঁথে ঠাকুরগাঁওয়ের লোকায়ন জীবন বৈচিত্র্য জাদুঘর হয়ে উঠেছে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক অনন্য ভাণ্ডার। নতুন প্রজন্মকে নিজেদের শিকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এ জাদুঘর নিঃসন্দেহে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

এনএইচআর/এএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।