তালাবদ্ধ মার্কেটগুলোতে নেই চিরচেনা ব্যস্ততা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫৩ পিএম, ২১ মার্চ ২০২৬
ঈদের ছুটি, আগামী চার দিন কোনো দোকান খুলবে না-ছবি জাগো নিউজ

ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। দেশজুড়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসবের আমেজ। টানা ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছে নগরবাসী। ফলে অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে রাজধানী।

ঈদকে কেন্দ্র করে টানা বেশ কিছুদিন রাজধানীর মার্কেটগুলোতে ছিল উপচেপড়া ভিড়। দিন-রাত বেচাকেনায় ব্যস্ততার মধ্যে সময় পার করেছেন দোকান মালিক ও শ্রমিকেরা। চাঁদ রাতেও ছিল না এর ব্যতিক্রম। সারারাত বিক্রি শেষে সকালে নামাজ আদায় করেছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে বন্ধ রয়েছে রাজধানীর অধিকাংশ মার্কেট। নেই ক্রেতার দেখা। তাই তালাবদ্ধ মার্কেটগুলোতে নেই চিরচেনা ব্যস্ততা।

jagonews24

শনিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মেট্রো মার্কেট ও শ্যামলী স্কয়ার মার্কেট ঘুরে বন্ধ থাকার চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সবগুলো মার্কেটের প্রধান ফটকসহ সব গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রতিটি মার্কেটের সামনে নিরাপত্তারক্ষীরা দায়িত্ব পালন করছেন। ক্রেতা-বিক্রেতা কারোরই দেখা মিলছে না মার্কেট এলাকায়।

নিউমার্কেট এলাকার চা-দোকানি জহির বলেন, মার্কেট আজ থেকে চার দিন বন্ধ থাকবে। ঈদের ছুটি আগামী চারদিন কোনো দোকান খুলবে না। ধরেন, মার্কেটে ৩০০ দোকান আছে। কেউ একজন দোকান খুললো। মার্কেটে ঝামেলা বা কোনো একটা বিপদ হলো, তাহলে তার দায়ভার কে নেবে?

jagonews24

তিনি বলেন, কাল সারারাত মার্কেট খোলা ছিল। বেচা-কেনা হয়েছে সারারাত। আজ আর মার্কেট খুলবে না।

চন্দ্রিমা সুপার মার্কেটের গেটে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী আবদুল লতিফ বলেন, আজ থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত মার্কেট বন্ধ থাকবে। অনেকে ঈদের দিনও কেনাকাটা করতে আসে। কিন্তু মার্কেট তো বন্ধ থাকবে। ফুটপাতের দোকানগুলো সন্ধ্যার আগে খুলবে। সে সময় কিছু মানুষ কেনাকাটা করতে আসবে। তারা চাইলে ফুটপাত থেকেই কেনাকাটা করতে পারবেন। তাছাড়া মার্কেট খোলার কোনো সুযোগ নেই।

ঢাকা নিউ সুপার মার্কেটের (দক্ষিণ) ভবনের ৫ নম্বর গেটে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী মো. আব্বাস বলেন, মার্কেট চার দিন বন্ধ। আমরা বন্ধের মধ্যে মার্কেটের নিরাপত্তায় বর্তমানে প্রতিটি গেটে দুইজন করে, আর উপরের তালাগুলো মিলিয়ে মোট ২৯ জন ডিউটি করছি।

jagonews24

অন্য নিরাপত্তারক্ষী নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ছুটিতে মার্কেট খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই। কোনো দোকানদারও যদি আসে, তবুও আমরা মার্কেট খুলতে পারবো না। মার্কেটের দোকানিদের বন্ধের মধ্যে মার্কেটে ঢুকতে হলেও মালিক সমিতির অনুমতি লাগবে। অনুমতি ছাড়া কেউ দোকান খুলতে পারবে না।

তিনি বলেন, অনেকে আছেন অনলাইনে ব্যবসা করেন, আবার মার্কেটেও দোকান আছে। শুধুমাত্র তারা মার্কেট মালিক সমিতির অনুমতি নিয়ে যদি তাদের অনলাইনের জন্য কোনো কিছু দোকান থেকে নিতে আসেন, তাহলে আমরা মার্কেটের গেট খুলে দেই। তাছাড়া মালিক সমিতির অনুমতি ছাড়া ভেতরে ঢোকার কোনো সুযোগ নেই।

কেআর/এসএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।