গ্রামে ফিরেছেন লাখো নগরবাসী, ঢাকায় চলাচলে স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৭ পিএম, ১৯ মার্চ ২০২৬
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা ছেড়ে গ্রামে ফিরেছেন লাখো মানুষ। ফলে যানজটে ক্লান্ত এই নগরী এখন অনেকটাই ফাঁকা/ছবি জাগো নিউজ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা ছেড়ে গ্রামে ফিরেছেন লাখ লাখ মানুষ। ফলে চিরচেনা ব্যস্ততা আর যানজটে ক্লান্ত এই নগরী এখন অনেকটাই ফাঁকা। কর্মচাঞ্চল্যে ভরপুর সড়কগুলোতে নেই আগের সেই ভিড়, নেই হর্নের শব্দ আর তীব্র যানজট। ফলে যানজটহীন নগরী এখন অনেকটাই স্বস্তির।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর শ্যামলী, আগারগাঁও, বিজয়সরণি, মহাখালী, তেজগাঁও, সাতরাস্তা, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

jagonews24

এসব এলাকার সড়ক ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ দিনের তুলনায় যানবাহনের চাপ নেই বললেই চলে। অনেকক্ষণ পরপর সীমিত হারে চলাচল করছে অভ্যন্তরীণ গণপরিবহন। ব্যক্তিগত গাড়ি ও সিএনজি অটোরিবশার উপস্থিতিও রয়েছে কম। সড়কে নেই সেই দীর্ঘ যানবাহনের সারি, নেই বিরক্তিকর হর্নের শব্দ।

এছাড়া সড়কে মানুষের উপস্থিতিও কম। ফলে কোথাও কোথাও যাত্রীর অপেক্ষায় গণপরিবহনকে দাঁড়িয়ে থাকতে আবার কোথাও হাতেগোনা কিছু যাত্রীকে অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে।

jagonews24

আলিফ পরিবহনের চালকের সহকারী রাসেল বলেন, রাস্তায় কোনো যাত্রী নেই। তেল খরচের টাকাও উঠছে না। সকাল থেকে গাড়ি পূর্ণ করে যাত্রী নিতে পারিনি এখন পর্যন্ত। গাড়ির সব সিট ফাঁকা।

গণপরিবহনের অপেক্ষায় বিজয়সরণি ট্রাফিক সিগনালে দাঁড়িয়ে আছেন আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়েছি। যাত্রাবাড়ীতে গিয়ে গাড়িতে উঠবো। প্রায় ১০-১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে আছি, কোনো গাড়ি পাইনি।

jagonews24

সিএনজিচালক লিমন বলেন, রাস্তা ফাঁকা। গাড়ির সংখ্যা খুব কম। যাত্রীও নেই খুব একটা। তারপরও বাস কম থাকায় আমাদের কিছু যাত্রী হচ্ছে। জ্যাম না থাকায় দ্রুতই যাতায়াত করতে পারছি।

এদিকে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ দেশে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে। চলতি বছর রমজান ৩০ দিন ধরে ঈদের ছুটি নির্ধারণ করেছে সরকার। রমজানের ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদ হবে ২১ মার্চ।

কেআর/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।