তেল সংকটে কমছে হাতিরঝিলের ওয়াটার ট্যাক্সির ট্রিপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:১৯ পিএম, ২৯ মার্চ ২০২৬
তেল সংকটে রাজধানীর হাতিরঝিলে চলাচলকারী ওয়াটার ট্যাক্সির ট্রিপ কমে গেছে/ছবি: জাগো নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে দেশের নগর পরিবহন ব্যবস্থায়। জ্বালানি তেলের সংকটে রাজধানীর হাতিরঝিলে চলাচলকারী ওয়াটার ট্যাক্সির ট্রিপ কমে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

সাধারণত রামপুরা ব্রিজ থেকে পুলিশ প্লাজা, কারওয়ান বাজার (এফডিসি) ও গুদারাঘাট রুটে ওয়াটার ট্যাক্সি চলাচল করে। একইভাবে গুদারাঘাট থেকে পুলিশ প্লাজা, কারওয়ান বাজার (এফডিসি) ও রামপুরা ব্রিজ রুটে ওয়াটার ট্যাক্সি চলাচল করে। আবার এফডিসি থেকেও পুলিশ প্লাজা, গুদারাঘাট ও রামপুরা ব্রিজে যাত্রী পরিবহন করা হয়।

jagonews24

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তেল সংকটের কারণে এসব রুটে ট্রিপ সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে সরেজমিনে গুদারাঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ঘাটে যাত্রীর চাপ তুলনামূলক কম থাকলেও ওয়াটার ট্যাক্সি আগের চেয়ে কম সংখ্যায় আসছে-যাচ্ছে। এতে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়।

কারওয়ান বাজারগামী (এফডিসি) যাত্রী আলমগীর জাগো নিউজকে বলেন, টিকিট কেটে বসে আছি, কিন্তু ট্যাক্সি ছাড়ছে না। ২০ জন যাত্রী না হলে ছাড়ছে না। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি।

গুদারাঘাটের কাউন্টার মাস্টার নয়ন বলেন, প্রতিদিন আমাদের ৩০০ থেকে ৪০০ লিটার তেল প্রয়োজন হয়। কিন্তু বর্তমানে ২০০ লিটার বা তার কিছু বেশি তেল পাচ্ছি। এতে দৈনিক ১০০ থেকে ২০০ লিটার তেলের ঘাটতি থাকছে।

jagonews24

তিনি আরও বলেন, আগে ৫ থেকে ১০ জন যাত্রী হলেও বোট ছেড়ে দেওয়া হতো। এখন তেলের সংকটের কারণে ২০ জন যাত্রী না হলে বোট ছাড়া যাচ্ছে না। এছাড়া দুপুরে যাত্রী চাপ কম থাকে, তাই অপেক্ষা করতে হয়।

ট্রিপের সুনির্দিষ্ট হিসাব না থাকলেও গুদারাঘাটের এই কাউন্টার মাস্টার বলেন, আগে যাত্রীর ওপর নির্ভর করে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০টি ট্রিপ পরিচালিত হতো। বর্তমানে সেই সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে বিকেলের দিকে যাত্রীর চাপ বাড়লে আর অপেক্ষা করতে হবে না।

আরএএস/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।