হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আরও তিন শিশুর মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ১০:৪৩ এএম, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে ২০ শিশুর মৃত্যু হলো। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩২ শিশু ভর্তি হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাধীন মোট ৭৪ শিশু।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ২২ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ৭ মাসের শিশু ছেলেকে হামের উপসর্গ ও নিউমোনিয়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুটি হামের উপসর্গ ও নিউমোনিয়াসহ হৃৎপিণ্ডের অকৃতকার্যতায় মারা যায়।

গত ২৩ এপ্রিল রাত ১১টার পর নেত্রকোনার মাদারগঞ্জ থেকে ৪ মাসের শিশু মেয়েকে হামের উপসর্গ ও নিউমোনিয়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার পর শিশুটি হামের উপসর্গ ও নিউমোনিয়াসহ হৃৎপিণ্ডের অকৃতকার্যতায় মারা যায়।

গত ২০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার দিকে নেত্রকোনার দূর্গাপুর থেকে দূর্গাপুর ৫ মাসের শিশু ছেলেকে হামের উপসর্গ ও নিউমোনিয়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটি হামের উপসর্গ ও নিউমোনিয়ায় মারা যায়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৭ মার্চ থেকে ২৮ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯২৫ শিশু ভর্তি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে আরও ৩৬ শিশু।

এ নিয়ে হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়া পেয়েছে ৮৩১ শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ শিশুকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এক দুইজন করে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে থাকে। তবে মার্চের মাঝামাঝি থেকে ভর্তির সংখ্যা বাড়তে থাকে।

তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাসপাতালের নতুন ভবনের ৮ তলায় হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এমএন/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।