সোলেইমানির বাড়িতে সর্বোচ্চ নেতা খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:০৭ এএম, ০৪ জানুয়ারি ২০২০

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্র ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের অভিজাত বাহিনী আইআরজিসির বিদেশি শাখা কুদস্ এর প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করেছে শুক্রবার ভোরে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি সোলেইমানির বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, খামেনির পর ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বিবেচিত সোলাইমানির হত্যাকাণ্ডের পর তার বাড়িতে গিয়ে সান্ত্বনা দেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। শুক্রবার রাতে বাড়িতে গিয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত সুলেইমানির স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে দেখা করে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, জেনারেল সোলেইমানি অনেকবার হত্যার মুখোমুখি হয়েছেন যে, যেকোনো সময় শহীদ হতে পারতেন। তিনি আল্লাহর পথে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো কিছুকেই পরোয়া করতেন না।

আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, জেনারেল সোলেইমানির জিহাদ ছিল অনেক বড় জিহাদ। আল্লাহ তাআলাও তাকে অনেক মর্যাদাপূর্ণ শাদাহাৎ দান করেছেন। এটি আল্লাহ তাআলার বড় নিয়ামত। তিনি এই নিয়ামতের যোগ্য ছিলেন। এর আগে সুলেইমানি হত্যার কঠোর প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দেন খামেনি।

মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত সোলেইমানির মেয়েকে উদ্দেশ্য করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘তোমার বাবার জন্য গোটা জাতি কাঁদছে। এটা হয়েছে ইখলাসের কারণে। জনগণ তোমার বাবার মর্যাদা উপলব্ধি করেছে। তার মধ্যে ইখলাস ছিল বলেই আজ মানুষ এভাবে তার জন্য শোক পালন করছে।’

সর্বোচ্চ নেতা ছাড়াও ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা করেছেন। শুক্রবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন জেনারেল কাসেম সোলায়মানি। তিনি ছিলেন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষমতা বলয় তৈরির কারিগর।

এসএ/এমএস

টাইমলাইন  

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]