সোলেইমানি হত্যার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৩৩ পিএম, ০৫ জানুয়ারি ২০২০

ইরানের বিপ্লবী গার্ডের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ-সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সোলাইমানিকে হত্যায় ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে আরও তিন হাজার সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। খবর ইউএসএ ট্যুডের।

শিকাগো অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্প টাওয়ারের কাছে ‘নো জাস্টিস, নো পিস’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে প্রায় দু'শো বিক্ষোভকারীকে। তারা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের হাতে বেশ কিছু প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ইরাকে বোমা হামলা বন্ধ করো এবং ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করো।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক যুদ্ধবিরোধী জোট অ্যাক্ট নাউ টু স্টপ ওয়ার অ্যান্ড ইন্ড রেসিজম এবং অন্যান্য সংস্থার উদ্যোগে ৭০টির বেশি বিক্ষোভ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্থার মুখপাত্র ওয়াল্টার স্মোলারেক বলেন, তারা ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার চান এবং একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার সমাপ্তি চান।

iran-3

তিনি জানিয়েছেন, ফিলাডেলফিয়াতে প্রায় ৫শ বিক্ষোভকারী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা হোয়াইট হাউসের বাইরে এবং নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে অবস্থান নিয়েছে। টাম্পা থেকে ফিলাডেলফিয়া এবং সান ফ্রান্সিসকো থেকে নিউইয়র্কে বিক্ষোভকারীরা যুদ্ধবিরোধী স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।

শুক্রবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের এক হামলায় ইরানের কুর্দস বাহিনীর ক্ষমতাধর জেনারেল কাসেম সোলেইমানি এবং এক ইরাকি মিলিশিয়া প্রধান নিহত হন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শুক্রবার বাগদাদে হামলা চালিয়ে সোলেইমানিকে হত্যা করা হয়।

iran-3

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, বাগদাদে মার্কিন কর্মকর্তাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিলেন সোলেইমানি। এদিকে, সোলাইমানির মৃত্যুতে ভয়াবহ প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে ইরান। তবে কবে কখন ইরান এই প্রতিশোধ নেবে তা এখনও পরিষ্কার নয়।

যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ-সমাবেশের আয়োজকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসন সোলেইমানিকে হত্যা করে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির সূচনা করেছে। মিয়ামি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছিলেন। তারা স্লোগান দিচ্ছিলেন, আর কোনো হামলা নয়, আমরা এখন শান্তি চাই এবং আমরা ইরাকে শান্তি চাই। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য শহরগুলোতেও জড়ো হয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা।

টিটিএন/পিআর

টাইমলাইন  

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]