জন্তুর মতো খাঁচাবন্দি কাশ্মীরিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৪৩ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০১৯

কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির মেয়ে ইলতিজা জাভেদ সম্প্রতি একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। ওই বার্তায় তিনি বলেন, তার মাকে গ্রেফতারের কয়েকদিন পর থেকেই তিনি গৃহবন্দি হয়ে আছেন। বাড়িতে কেউ এসে তার খোঁজ করলেও তাদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এমনকি তার কাছেও এই খবর দেয়া হচ্ছে না।

ওই চিঠিতে তিনি বলেন, কাশ্মীরের লোকজন জন্তুর মতো খাঁচাবন্দি হয়ে পড়েছেন। তাদের মৌলিক অধিকারও কেড়ে নেয়া হয়েছে। প্রায় ১২ দিন ধরে বিচ্ছিন্ন রয়েছে কাশ্মীর। বাইরের দুনিয়া এমনকি, কাশ্মীরে বসবাসরতদের মধ্যেও যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে মোবাইল এবং ইন্টারনেট সেবাও বন্ধ রয়েছে।

ঈদ উপলক্ষে কারফিউ শিথিল করা হলেও সেখানকার মূলধারার রাজনৈতিক নেতাদের এখনও মুক্তি দেয়া হয়নি। এদের মধ্যে দুই সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবদুল্লাহও রয়েছেন।

অমিত শাহকে লেখা এক চিঠিতে মেহবুবা মুফতির মেয়ে বলেন, আজ যখন সারাদেশ স্বাধীনতা উদযাপন করছে তখন কাশ্মীরা জন্তুর মতো খাঁচাবন্দি রয়েছেন। তাদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে লেখা ওই চিঠিতে নিজের গৃহবন্দি হওয়ার কারণ জানতে চেয়েছেন ইলতিজা জাভেদ। তিনি লিখেছেন, তিনি সংবাদপত্রে যে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তার জন্যই তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। তাকে হুমকিও দেয়া হচ্ছে যে, কাশ্মীর নিয়ে ফের মুখ খুললে পরিণতি আরও খারাপ হবে।

গৃহবন্দি হওয়ার পর এ পর্যন্ত দুটি অডিওবার্তা প্রকাশ করেছেন ইলতিজা জাভেদ। এর আগে গত ৬ আগস্ট এনডিটিভির কাছে ইলতিজা জাভেদ অভিযোগ করে বলেন, মেহবুবা মুফতিকে নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে কাউকেই সাক্ষাৎ করতে দেয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমার মাকে সোমবার নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তাকে হরি নিবাস নামের একটি সরকারি গেস্ট হাউজে আটকে রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ করতে দেয়া হচ্ছে না। তাকে দেখতে যাওয়ারও অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়ার আগেই গত ৪ আগস্ট গৃহবন্দি করা হয় মেহবুবা মুফতি ও ওমর আব্দুল্লাহকে। পরের দিন তাদের গ্রেফতার করা হয়।

টিটিএন/পিআর

টাইমলাইন  

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]