আপনারা যখন এই ভিডিও দেখবেন তখন আমি জান্নাতে থাকব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৫০ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আপনারা যখন এই ভিডিও দেখবেন তখন আমি জান্নাতে থাকব। সম্প্রতি এক ভিডিওতে এমন বার্তা দিয়েছেন জইশ-ই-মুহাম্মদের এক যোদ্ধা। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে সেনাবাহিনীর গাড়ি বহরে ভয়াবহ হামলার দায় স্বীকার করেছে জইশ-ই-মুহাম্মদ নামের ওই জঙ্গি সংগঠনটি। ওই হামলায় ৪৪ সেনা নিহত এবং আরও ৪১ সেনা আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সেনাবাহিনীর গাড়িবহরে জঙ্গি হামলার কয়েক মুহূর্ত পরেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে জইশ-ই-মুহাম্মদ। বৃহস্পতিবার বিকেলে কাশ্মিরের পুলওয়ামার আওয়ান্তিপরা শহরের জাতীয় সড়কের ওপর সিআরপিএফের সদস্যদের গাড়িবহর লক্ষ্য করে হামলা চালায় জঙ্গিরা।

পেছনে জইশ-ই-মুহাম্মদের একটি পতাকা রেখে সামনে অস্ত্রে সজ্জিত এক যোদ্ধাকে দেখানো হয়েছে ওই ভিডিওতে। বৃহস্পতিবার ভয়াবহ ওই হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন আদিল আহমেদ দার নামের ওই যোদ্ধা। গত দুই দশকে এটাই ছিল কাশ্মিরে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা।

ওই ভিডিওতে আদিল আহমেদ কাশ্মিরের জনগণকে উদ্দেশ করে বলেন, যখন আপনাদের কাছে এই ভিডিওটি পৌঁছাবে ততক্ষণে আমি হয়তো জান্নাতে থাকব। আমি এক বছর ধরে জইশ-ই-মুহাম্মদের সঙ্গে আছি এবং এটাই কাশ্মিরের লোকজনের প্রতি আমার শেষ বার্তা।

ধারণা করা হচ্ছে পুলওয়ামারে হামলা চালানোর আগেই ওই ভিডিও বার্তা ধারণ করা হয়েছে। ওই ভিডিওতে তিনি উত্তর কাশ্মিরের লোকজনকে উদ্দেশে বলেন, দক্ষিণ কাশ্মিরের লোকজন এতদিন ধরে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে, এখন উত্তর এবং কেন্দ্রীয় কাশ্মিরের লোকজনেরও দক্ষিণের লোকজনের সঙ্গে যোগ দেয়া উচিত।

তিনি বলেন, আমাদের অল্প কয়েকজন যোদ্ধাকে হত্যা করে আপনারা আমাদের দুর্বল করতে পারবেন না। স্থানীয় পুলিশ বলছে, ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ থেকে তৌসিফ এবং ওয়াশিম নামের দুই বন্ধুর সঙ্গে নিখোঁজ ছিলেন আদিল হোসেইন দার। তিনি পুলওয়ামার গুন্দিবাগের বাসিন্দা।

তৌসিফের বড় ভাই মানজুর আহমেদ দারও জঙ্গি ছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি নিহত হন। অপরদিকে আদিল স্কুল থেকে বাদ পড়ে পরবর্তীতে রাজমিস্ত্রির কাজ করেছে এবং স্থানীয় মসজিদে নামাজও পড়াতেন। তার আরও দুই ভাই আছে।

টিটিএন/এমএস

টাইমলাইন  

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।