রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১০:০২ পিএম, ০২ মে ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সোসাইটির জাতীয় সদর দফতর ও উপকূলবর্তী ১৯টি জেলার রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক সাড়াদানের সুবিধার্থে শুক্র (৩ মে) ও শনিবার (৪ মে) অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেড ক্রিসেন্ট কর্তৃপক্ষ।

সোসাইটির ডিজাস্টার রেসপন্স বিভাগ জানায়, সোসাইটির জাতীয় সদর দফতরসহ (০২-৯৩৫৫৯৯৫) উপকূলীয় ১৯টি জেলার রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জাতীয় সদর দফতরসহ ইউনিট পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মকর্তাদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিপি (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) পরিচালিত উপকূলীয় জেলাগুলোর সকল আশ্রয়কেন্দ্রকে প্রস্তুত করা হয়েছে। ৩টি ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স টিম, ৩টি মেডিকেল টিম ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রস্তত রাখা হয়েছে। সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা ও বরগুনা জেলায় ডিজাস্টার রেসপন্স টিমের সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। প্রতিনিয়ত সোসাইটির ওয়েবসাইটে (www.bdrcs.org) আপডেট প্রকাশিত হচ্ছে।

কক্সবাজার জেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সকলকে পূর্ব প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাতে দুর্যোগ-পরবর্তী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় কোনো সমস্যা না হয়। এ ছাড়া বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের জনগণের সুরক্ষায় রেড ক্রিসেন্ট ফিল্ড হাসপাতাল ও ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সোসাইটির কনফারেন্স কক্ষে ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় করণীয় শীর্ষক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মো. ফিরোজ সালাহ উদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির উপ-মহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম, ডিজাস্টার রেসপন্স বিভাগের পরিচালক নাজমুল আযম খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ নিয়ে গত চারদিনে চারটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হলো।

সোসাইটির ডিজাস্টার রেসপন্স টিম আরও জানায়, উপকূলীয় জেলাগুলোর সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর প্রত্যেকটিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।

সোসাইটির মহাসচিব মো. ফিরোজ সালাহ উদ্দিন বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় সবধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। উপকূলবর্তী জেলা ইউনিটসহ অন্যান্য ইউনিটগুলোকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্য বলা হয়েছে।

এফএইচএস/এসআর/পিআর

টাইমলাইন