ফণীর কাছে তল পাচ্ছে না ভারতের যুদ্ধজাহাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৪৮ এএম, ০৩ মে ২০১৯

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে প্রবল গতিতে এগিয়ে চলেছে। দেশটির নৌবাহিনী ঘূর্ণিঝড়টির সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য সমুদ্রে ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মহড়া দিচ্ছে। কিন্তু তাদের টহল দেয়া যুদ্ধজাহাজও ফণীর কাছে তল পাচ্ছে না।

যুদ্ধজাহাজ যে ফণীর কাছে তল খুঁজে পাচ্ছে না তার প্রমাণ পাওয়া গেছে ভারতীয় নৌবাহিনীর পোস্ট করা কয়েকটি সচিত্র টুইট বার্তায়। নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ওড়িশা উপকূলের বঙ্গোপসাগরে টহল দিচ্ছে। কিন্তু উত্তাল সাগরে টালমাটাল হয়েছে সেসব যুদ্ধজাহাজ।

ঘূর্ণিঝড় ফণীর উপর নজর রাখতে ভারতীয় নৌবাহিনী সমুদ্রে ৭টি যুদ্ধজাহাজ টহলে পাঠিয়েছে। তার মধ্যে তিনটি ওড়িশা উপকূলে আর বাকি চারটি দক্ষিণ ভারতের তামিলনাডু উপকূলে। ওড়িশা উপকূলের টহলরত যুদ্ধজাহাজের ছবিতে ফণীর তাণ্ডব দেখা যায়।

ওড়িশা উপকূলের ওই তিনটি যুদ্ধজাহাজ দেশটির হিউমানিটারিয়ান অ্যাসিসট্যান্স অ্যান্ড ডিজেস্টার রিলিফ (এইচএডিআর) নামের সরকারি একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। যে সংস্থাটি তার মজুদ দিয়ে একটানা ৭ দিন এক হাজার মানুষের খাদ্য, ওষুধ ও আবাসনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সহযোগিতা করতে সক্ষম।

এক টুইট বার্তায় ভারতীয় নৌবাহিনী বলছে, আইএনএস দেগা ভাইজাগ নামের যুদ্ধজাহাজটি ছয়টি বিমান, সাতটি হেলিকপ্টার ও চালক, মেডিকেল টিমসহ এইচএডিআরের যাবতীয় ত্রাণসামগ্রী বহন করতে সক্ষম। 

আরও একটি টুইটে তারা বলছে, গত ২৬ এপ্রিল থেকে তাদের এই যুদ্ধজাহাজ বঙ্গোপসাগরে শুরু হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে সহজেই টহল দিচ্ছে। কিন্তু শেষে এসে ২ মে এটির প্রকাশ করা কিছু ছবিতে দেখা যাচ্ছে ভেতরে পানি ঢুকেছে এবং সেটা অনেকটা কাত হয়ে হেলে যাচ্ছে।

প্রথম ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, যুদ্ধজাহাজটির ডেকের এক চতুর্থাংশ পানিতে পূর্ণ হয়ে গেছে। তাছাড়া বাকি দুটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে উত্তাল সাগরে চলাচলের ক্ষেত্রে কতটা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না।

ভারতীয় নৌবাহিনী ডোপলার ওয়েদার রাডার ব্যবহার করে ঘূর্ণিঝড় ফণীর বেশ কিছু ছবি তুলেছে। সর্বশেষ তোলা ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, ফণী নামের ভয়াবহ এই ঘূর্ণিঝড়টি প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার গতিতে দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে।

নৌবাহিনী তাদের টুইট বার্তায় বলছে, ‘ছবিতে খুব স্পষ্টভাবে ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থা বোঝা যাচ্ছে। গত ছয় ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটরি গতিপথ এখন ওড়িশা উপকূল অভিমূখে।’

এসএ

টাইমলাইন  

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]