ময়মনসিংহ-৬ আসনে জয়ী জামায়াত প্রার্থী কামরুল হাসান

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ১০:০১ এএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন ২৩ হাজার ২৭৭ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৯৪৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শামছ উদ্দিন আহমেদের স্রী উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা ফুটবল ৫২ হাজার ৬৬৯ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন।

স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নবঞ্চিত সদ্য বহিষ্কৃত আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন ঘোড়া প্রতীকে ৫১ হাজার ২৩৪ ভোট পেয়েছেন। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখতারুল আলম ফারুক ৪৮ হাজার ৯৯৪ ভোট ও ইসলামি আন্দোলন মনোনীত মুফতি নূরে আলম সিদ্দিকী হাতপাখা প্রতীকে ১ হাজার ৯৩৮ ভোট পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে মো. আরিফুল ইসলাম ফলাফল ঘোষণা করেন।

এ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জামায়াতে ইসলাম মনোনীত অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা ছাড়াও আরও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

তারা হলেন- ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন (ঘোড়া), বিএনপির আহ্বায়ক আখতারুল আলম ফারুক (ধানের শীষ), মুফতি নূরে আলম সিদ্দিকী। স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন পেয়েছেন প্রতীকে ৫১ হাজার ২৩৪ ভোট, আখতারুল আলম ফারুক ৪৮ হাজার ৯৯৪ ভোট ও ইসলামি আন্দোলন মনোনীত মুফতি নূরে আলম সিদ্দিকী ১ হাজার ৯৩৮ ভোট পেয়েছেন।

এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪ লাখ ১৭ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১০ হাজার ৩৩০ জন, নারী ভোটারের এই সংখ্যা ২ লাখ ৭ হাজার ৫৯৫ জন এবং হিজড়া ২ জন। মোট ১২১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ময়মনসিংহের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, জেলার ১১টি আসনেই নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দ্বায়িত্ব পালন করেছে। এজন্য কোথাও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

কামরুজ্জামান মিন্টু/এনএইচআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।