৭ম দফার প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় অভিষেকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:০৩ এএম, ১৪ মে ২০১৯

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচনের ৭ম বা শেষ দফায় মোট ১১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে ৩০ জনই কোটিপতি। নির্বাচন কমিশনে জমা পড়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস’ (এডিআর) ও পশ্চিমবঙ্গ ইলেকশন ওয়াচ যৌথ রিপোর্টে এ কথা জানিয়েছে।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৭ম দফার প্রার্থীদের মধ্যে সব থেকে বেশি বার্ষিক আয় ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার বার্ষিক আয় দু’কোটি টাকার বেশি। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে যাদবপুরের সিপিএম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং কলকাতা (দক্ষিণ) কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মিতা চক্রবর্তী। দু’জনেরই আয় বছরে এক কোটি টাকার বেশি।

সম্পদের নিরিখে অবশ্য সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন মিতাদেবী। তার সম্পদের পরিমান ৪৪ কোটি টাকারও বেশি। বিকাশরঞ্জন এই তালিকাতেও দ্বিতীয় স্থানে আছেন।

সপ্তম দফার যেসব প্রার্থী ২০১৪ সালের নির্বাচনেও লড়েছিলেন তাদের আগের বারের হলফনামার সঙ্গে এবারের হলফনামার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করেছে পশ্চিমবঙ্গ ইলেকশন ওয়াচ। তারা জানিয়েছে, ২০১৪ সালের ২২ জন প্রার্থী এবারেও লড়ছেন।

তাদের মধ্যে এই পাঁচ বছরে আয় বৃদ্ধির হার সব থেকে বেশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজা অভিষেকের। আগের বার ভোটে দায়ের করা হলফনামায় জমা দেওয়া আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট বার্ষিক আয় ছিল ৭৩ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। এবার আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট বার্ষিক আয় দুই কোটি ২৭ লাখ টাকা।

তার হলফনামায় বলা হয়েছে, এই পাঁচ বছরে তার সম্পদ কমেছে প্রায় নয় শতাংশ। ২২ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদ বেড়েছে তিন তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায় এবং প্রতিমা মণ্ডলের। সুদীপবাবু কলকাতা (উত্তর), সৌগতবাবু দমদম এবং প্রতিমাদেবী জয়নগরে প্রার্থী হয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গ ইলেকশন ওয়াচের রাজ্য কো-অর্ডিনেটর উজ্জয়িনী হালিম জানান, এই দফায় নয়টি আসনে তৃণমূলের নয়জন প্রার্থী রয়েছেন এবং তারা প্রত্যেকেই কোটিপতি। কংগ্রেসের আট প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন, বিজেপির নয়জনের চারজন এবং সিপিএমের ছয়জনের মধ্যে তিনজন কোটিপতি। ১১১ প্রার্থীর মধ্যে ৪৬ জন প্যান সংক্রান্ত তথ্য জমা দেননি।

টিটিএন/জেআইএম

টাইমলাইন