নিউ ইয়র্ক টাইমস বিশ্লেষণ

‘মানি গেম’: ইরানের সস্তা ড্রোন বনাম আমেরিকার দামি মিসাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৪২ পিএম, ০৫ মার্চ ২০২৬
ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

পূর্ব থেকে পশ্চিম, নয়াদিল্লি থেকে বেইজিং আর লন্ডন থেকে ওয়াশিংটন, মার্চ মাসের শুরু থেকে বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে এক চরম অস্থিরতা মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংকট তথা ইরানের ওপর ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ অভিযান নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস।

‘মানি গেম’: ইরানের সস্তা ড্রোন বনাম আমেরিকার দামি মিসাইল

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ইরান কেবল সামরিক নয়, বরং একটি অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে। ইরানের তৈরি সস্তা ড্রোনগুলো আকাশ থেকে নামাতে গিয়ে আমেরিকা ও তার মিত্রদের কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

ব্যয়ের অসম অনুপাত

ড্রোন বিশেষজ্ঞ আর্থার এরিকসনের মতে, এই যুদ্ধের ব্যয়ের অনুপাত সম্পূর্ণ ইরানের পক্ষে। এই অনুপাত ১০:১ (অর্থাৎ একটি ড্রোন ধ্বংস করতে ১০টি ড্রোনের সমান খরচ)। এর সর্বোচ্চ অনুপাত ৬০:১ বা ৭০:১ পর্যন্ত হতে পারে।

একটি সাধারণ ইরানি ড্রোন তৈরিতে কয়েক হাজার ডলার খরচ হলেও সেটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত মার্কিন ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার।

ফুরিয়ে আসছে মিসাইলের মজুত?

ওয়াশিংটন এবং তার মিত্রদের মধ্যে এখন বড় ভয় হলো মিসাইল ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হয়ে যাওয়া। বিশেষজ্ঞরা ইউক্রেন যুদ্ধের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানেও পশ্চিমা মিত্ররা পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করতে হিমশিম খেয়েছিল। ইরানেও একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হতে পারে।

‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’র (সিএসআইএস) রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি হাজার হাজার নয় বরং মাত্র কয়েকশ ইন্টারসেপ্টর কিনেছে। নতুন চুক্তি হলেও কারখানাগুলোতে উৎপাদন বাড়িয়ে চাহিদা মেটাতে কয়েক বছর সময় লেগে যাবে।

সূত্র: তাস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।