যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম ১১ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি বাজারে। যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের দাম এখন ১১ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
জ্বালানি পর্যবেক্ষণ সংস্থা এএএ-এর সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, দেশটিতে গ্যাসের গড় দাম গ্যালনপ্রতি ৫ সেন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.২৫ ডলারে। গত শুক্রবার থেকে এখন পর্যন্ত দাম বেড়েছে মোট ২৬ সেন্ট।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা এই মূল্যবৃদ্ধির বড় কারণ। বিশ্বে উৎপাদিত প্রায় ২০ শতাংশ তেল এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
ইরান তার তেলসমৃদ্ধ প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা চালানোর পর বাজারে অস্থিরতা আরও বেড়েছে।
গত তিন দিনেই গ্যাসের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। মঙ্গলবার একদিনেই ১১ সেন্ট বাড়ে।
এদিকে ডিজেলের দাম আরও দ্রুত বাড়ছে। বৃহস্পতিবার গ্যালনপ্রতি গড় ডিজেলের দাম ১২.৮ সেন্ট বেড়ে ৪.১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মাত্র তিন দিনেই ডিজেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ সেন্ট।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অধিকাংশ ভারী ট্রাক ডিজেলচালিত হওয়ায় পরিবহন খরচ বাড়তে পারে। এর ফলে পণ্য পরিবহন ব্যয় বেড়ে শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের পণ্যের দামও বাড়তে পারে।
কৃষি খাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে, কারণ অনেক কৃষিযন্ত্র ডিজেলে চলে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর–পূর্বাঞ্চলের যেসব বাড়িতে হিটিং অয়েল ব্যবহার করা হয়, সেখানেও খরচ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়লে গ্যাসের দামও সামনে আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে তেলের দামের প্রধান সূচক ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
এমএসএম