ফিলিপাইনে ডেঙ্গু মহামারি, ৪৫৬ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৫০ পিএম, ২৩ জুলাই ২০১৯

মহামারি ডেঙ্গুর কবলে পড়েছে ফিলিপাইন। চলতি বছরে দেশটিতে ১ লাখ ৬ হাজার ৬৩০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। ফিলিপাইন ইন্টিগ্রেটেডে ডিজিস সার্ভেইলেন্স অ্যান্ড রেসপন্স (পিআইডিএসআর) জানিয়েছে, এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পিআইডিএসআর বলছে, গত বছরের চেয়ে এবার গোটা ফিলিপাইনে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৫৭ হাজার ৫৬৪ জন। ২০১৮ সালের তুলনায় যা ৮৫ শতাংশ বেশি। শিশু ও কিশোররা সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। মোট ডেঙ্গু রোগীর ৩৯ শতাংশের বয়স পাঁচ থেকে নয় বছরের মধ্যে।

মশাবাহিত রোগের পরিমাণ দ্রুত বাড়তে থাকার প্রেক্ষিতে গত ১৫ জুলাই দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গোটা দেশে জাতীয় ডেঙ্গু সতর্কতা জারি করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন মহামারি ডেঙ্গুর বিষয়টি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই সতর্কবার্তায় ডেঙ্গু আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে সার্বক্ষণিক কাজ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোকে। ওষুধ সরবরাহ, হাসপাতাল সুবিধা, স্থানীয় কমিউনিটিকে সচেতন, স্কুলভিত্তিক স্বাস্থ্যশিক্ষা প্রচারণাসহ সকল ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট বৃদ্ধি করতে বলেছে মন্ত্রণালয়।

দেশটির ওয়েস্টার্ন ভিসায়াস অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ১৩ হাজার ১৬৪টি ডেঙ্গ আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা গেছে। এরপর দেশটির কালাবারজোনে ১১ হাজার ৪৭৪, সেন্ট্রাল ভিসায়াসে ৯ হাজার ১৯৯, সক্কাস্কসারেজনে ৯ হাজার ৯ হাজার ১০৭ জন এবং নর্দার্ন মিনাদানোতে ৮ হাজার ৭৩৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে।

ওয়েস্টার্ন ভিসায়াসের ইলোইলো, আকলান, অ্যান্টিক এবং গুইমারাস প্রদেশে ডেঙ্গুকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ইলোইলো প্রাদেশিক সরকার জানিয়েছে, তাদের ১২টি হাসপাতালে প্রতিদিন ৬১৫ জন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন। গত পাঁচ জুলাই প্রাদেশিক সরকার সেখানে ডেঙ্গুকে মহামারি অভিহিত করে বিশেষ সতর্কতা জারি করে।

এসএ/জেআইএম

টাইমলাইন  

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।