‘মেয়র নয়, অধীনস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কী করছেন সেটা বড় কথা’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০৪ পিএম, ৩১ জুলাই ২০১৯

দেশে ভয়াবহ ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম বলেছেন, মেয়র কী করলেন না করলেন তার থেকে বড় কথা তার অধীনস্ত কর্মচারী-কর্মকর্তারা কী করছেন।

বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুরে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আওয়ামী লীগের ২০১৮ সালের আয় ও ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

ডেঙ্গুর জন্য দুই মেয়র দায়ী কি না জানতে চাইলে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘না। মেয়ররা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। তারা চাইলেই অনেক কিছু করতে পারেন না। তার অধীনস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কী করল সেটি দেখার বিষয়।’

ডেঙ্গু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি আমরা অনুধাবন করি। এটি নিয়ে প্রতিদিন আলোচনা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে আমরা প্রতিদিন যারা আছে তাদের সঙ্গে কথা বলি। মেয়র কী করলেন না করলেন তার থেকে বড় কথা তার অধীনস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কী করছেন…তাদের খোঁজখবর নেয়া। ওষুধ ঠিকমতো দেয়া হয় কি না। ওষুধ ছাড়াও সবচেয়ে বড় জিনিস এ সব ক্ষেত্রে জনসচেতনা বাড়ানো দরকার। প্রত্যেকের সচেতন হতে হবে। প্রত্যেকের বাড়ি পরিষ্কার থাকে কি না, সেটি সরকারের দায়িত্ব নয়। এটা আপনাকে করতে হবে। এই জিনিসটি প্রত্যেক নাগরিককে বুঝিয়ে দেয়া দরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিক দায়িত্ববোধ আসতেই হবে। প্রথম থেকেই ব্যাপকভাবে আমরা দেখছিলাম যে, প্রচার হচ্ছিল না। এখন বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে প্রথম প্রচার হওয়ার পর অন্যান্য টেলিভিশনও এখন প্রচার করছে। ডাক্তাররা কী বলছেন, কোথায় এটি জন্মায় এটি জানাতে হবে। আতঙ্ক বড় জিনিস। আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য অনেকে আবার এটা ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে অনেক কথা বলেন। এগুলো দেখার বিষয় আছে।’

‘একদিনে মশা নিধন করা অন্যদিকে চিকিৎসা। চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তি ছিল। প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর অনেকেই রোগী নিতে চাচ্ছিল না। আমরা তাদের বাধ্য করেছি। তাদের যখন রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়, লাইসেন্স দেয়া হয়, তখন বলা হয় কোনো রোগীকে ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ধৃতি দিয়ে আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গতকাল লন্ডন থেকে নির্দেশনা দিয়েছেন, ঢাকা থেকে যারা পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করার জন্য বাইরে যাবেন, তারা যেন রক্ত পরীক্ষা করিয়ে যান। কারণ তারা যদি ডেঙ্গু নিয়ে বাইরে যান, তাহলে বাইরে অনেক বেশি এটি বিস্তার লাভ হয়ে যাবে।’

এ সময় ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য মিডিয়াকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

এইচএস/এসআর/এমএস

টাইমলাইন