মিটফোর্ডে ডেঙ্গু পরীক্ষায় লম্বা লাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৪ পিএম, ২৭ জুলাই ২০১৯

ডেঙ্গু এখন আতঙ্কের নাম। প্রতিদিন এডিস মশার কামড়ে নারী-পুরুষরা ছুটচ্ছেন হাসপাতালে। ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। পরীক্ষায় কারো ধরা পড়ছে ডেঙ্গু জ্বর আবার কারো বা ভাইরাস জ্বর।

যাদের ডেঙ্গু ধরা পড়ছে তারা ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। ডেঙ্গু রোগীদের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকারি-বেসরকারিসহ সব হাসপাতাল। প্রতিদিন পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে লম্বা লাইনে দাঁড়াচ্ছেন অনেকেই। দু-তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সিরিয়াল পাচ্ছেন। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে বিরক্তও হচ্ছেন অনেকেই। কিন্তু উপায় না থাকায় সবাই লাইনে দাঁড়িয়ে পরীক্ষা করছেন ডেঙ্গু।

শনিবার (২৭ জুলাই) সকালে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সরেজমিন দেখা যায় এমন দৃশ্য। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে রোগীদের। অনেকেই দু-তিন ঘণ্টা লাইনে থাকার পর ডাক্তারের সিরিয়াল পাচ্ছেন। বহির্বিভাগে টিকিটের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন অনেকেই।

মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন বকশিবাজারের ইদ্রিস আলী (২৩)। তিনি কবি নজরুল সরকারি কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। সাতদিন ধরে জ্বরে ভুগছেন। সকাল সাড়ে ৯টায় ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে আসেন হাসপাতালে। প্রায় এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে বহির্বিভাগ থেকে ১০ টাকা দিয়ে টিকিট কাটেন। এরপর এক ঘণ্টা ধরে ডাক্তার দেখানোর লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তার সামনে আরও ৯ জন।

dengu55

তিনি বলেন, সাতদিন ধরে জ্বরে ভুগছি। আজ পরীক্ষা করতে এলাম। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। জানি না কতক্ষণ সময় লাগবে।

কথা হয় রাবেয়া আক্তারের (৪০) সঙ্গে। সকাল ১০টায় এসেছেন মিটফোর্ড হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে। দুপুর ১২টায় ডাক্তারের সিরিয়াল পান। তিনি বলেন, রোগীর সংখ্যা বেশি। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ডাক্তার দেখালাম। ডাক্তার পরীক্ষা দিয়েছেন। এরপর পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে আবার দেখা করতে বলেছেন।

কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা বলেন, কয়েক দিন ধরে রোগীর সংখ্যা বেশি। বিভিন্ন জায়গা থেকে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে আসছেন অনেকেই। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটতে হচ্ছে এবং ডাক্তার দেখাতে হচ্ছে। কয়েক দিন ধরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় তা সামলাতে একটু কষ্ট হচ্ছে।

জেএ/এএইচ/এমএস

টাইমলাইন