নির্মাণাধীন ভবনে লার্ভা, ৩ লাখ ২২ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:০২ এএম, ০২ আগস্ট ২০১৯

এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ছয়টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে এসব ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন নির্মাণাধীন ভবন, হাসপাতাল ও দোকানকে তিন লাখ ২২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

এদের মধ্যে গুলশান-২ নম্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি নির্মাণাধীন ভবন, হাসপাতাল ও দফতরকে দুই লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার।

এর মধ্যে ৭৯ নম্বর সড়কে লেকভিউ ক্লিনিককে ৫০ হাজার টাকা, একই সড়কের একটি বাড়ির মালিককে ৫০ হাজার টাকা, ৮১ নম্বর সড়কে ডিজাইন স্কেপ আর্কিটেক্ট ইনস্টিটিউটকে ৫০ হাজার টাকা, ৭৩ নম্বর সড়কে সোনিয়া গ্রুপকে ২৫ হাজার টাকা এবং ৭৩ নম্বর সড়কে মেটাল হোল্ডিংকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসব স্থানে অপরিষ্কার পরিবেশ এবং এডিস মশার লার্ভা ও এডিস মশা বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ বিদ্যমান পাওয়া যায়।

এছাড়া ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা বিভিন্ন স্থানে ১৪৫টি আবাসিক ভবন ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন। পল্লবী এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শফিউল আজমের নেতৃত্বে এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ থাকায় এবং নির্মাণসামগ্রী ফুটপাত ও রাস্তায় রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে মোট ছয়টি মামলায় ৬২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মিরপুর এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজের নেতৃত্ব বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকায় চারটি বাড়িকে নোটিশ প্রদান করা হয়।

মোহাম্মদপুরে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর নাহিদ আহসানের নেতৃত্বে বেলা ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এডিস মশা বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ ও অপরিচ্ছন্নতার অভিযোগে চারটি বাড়ির মালিককে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের ছাদে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকায় মুচলেকা নিয়ে ছাদ পরিষ্কার করার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয়া হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত থাকবে বলে ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে।

এএস/বিএ

টাইমলাইন