সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু থেকে মুক্তির আশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৮ পিএম, ০৫ আগস্ট ২০১৯

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ঢাকাসহ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। আমরা একটা সংকটময় মুহূর্ত পার করছি। এ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থেকে দেশকে মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সরকারি সব সংস্থা ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এ পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হতে পারব বলে আশা করছি। আমরা সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহকে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে চিহ্নিত করেছি।

‘আমাদের চলমান কার্যক্রম এবং জনগণের সচেতনতার মধ্য দিয়ে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাব।’

সোমবার (৫ আগস্ট) বিকেলে নগর ভবনের মেয়র হানিফ মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র আরও বলেন, সরকারের সব বিভাগ, সব সংস্থা প্রাণপণ চেষ্টা করছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের নাগরিকরা ক্রমেই সচেতন হয়ে উঠছেন। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য দুটো জিনিস জরুরি। একটি হচ্ছে সংস্থার উদ্যোগ, অপরটি জনগণের সচেতনতা এবং তাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। আমরা আমাদের দুর্বলতা কাটিয়ে সর্বশক্তি নিয়োগ করে মাঠপর্যায়ে কাজ করছি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল প্রমুখ।

সরকারি স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেল্থ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের তথ্যানুসারে, ঠিক এক মাস আগে (৪ জুলাই) ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ১৬৭ জন ভর্তি হয়েছিল। তার ঠিক এক মাস পর (৪ আগস্ট) ২৪ ঘণ্টায় মৌসুমের সর্বোচ্চ রেকর্ডসংখ্যক দুই হাজার ৬৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় ৮৬ জনেরও বেশি নারী, পুরুষ ও শিশু ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সরকারি হিসাবে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৮ জন (এপ্রিল ২ জন, জুন তিনজন ও জুলাই মাসে ১৩ জন) বলা হলেও বেসরকারি হিসাবে এর সংখ্যা তিনগুণের বেশি হবে বলে বলা হচ্ছে।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসক, আমলা, গৃহবধূ ও শিশুসহ সব বয়সের রোগী প্রায় প্রতিদিনই মারা যাচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি রোগী মারা গেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।

এএস/এমএআর/এমএস

টাইমলাইন