ইসরায়েল-ইরাক-কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১৭ এএম, ১৫ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েল-ইরাক-কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা/ ছবি: এএফপি

ইরানি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ইসরায়েল, ইরাক এবং কুয়েতে অবস্থিত তিনটি মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলে কিছুক্ষণ পরপরই অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেনের শব্দ এবং হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধির কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

আইআরজিসি দাবি করেছে যে, ইরাকের এরবিলের হারির বিমানঘাঁটি, কুয়েতে মার্কিন সেনাদের আবাসস্থল আলী আল সালেম এবং আরিফজান ঘাঁটি ‘শক্তিশালী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দ্বারা ধ্বংস’ করা হয়েছে।

এদিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যে ভয়াবহ অস্ত্র সংকটে পড়েছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘সেমাফোর’ এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরায়েলের হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী ‘ইন্টারসেপ্টর’ বা প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। তেল আবিব এই চরম সংকটের কথা এরই মধ্যে ওয়াশিংটনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, তাদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টর ফুরিয়ে আসছে। মূলত গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে ইরানের সঙ্গে শুরু হওয়া অস্থিরতার পর থেকেই ইসরায়েলের এই সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। চলমান যুদ্ধে উপর্যুপরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে সেই সংকট এখন চরমে পৌঁছেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বরাতে জানানো হয়েছে, ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়াতে এবং ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার মিউনিশন’ বা গুচ্ছ বোমা যুক্ত করতে শুরু করেছে। এর ফলে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বহুগুণ বেড়ে গেছে, যা মজুত দ্রুত শেষ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।

টিটিএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।