খারগ দ্বীপ কোথায়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:২৭ এএম, ১৪ মার্চ ২০২৬
ইরান উপকূলে খারগ দ্বীপ, স্যাটেলাইটে তোলা ছবি

ইরানের খারগ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি বলেছেন, সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি। খবর বিবিসির।

বিবিসির মাইকি কের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই দ্বীপটি থেকেই ইরানের ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয় এবং এটাকে তেহরানের অর্থনীতির লাইফলাইন বলা হয়।

এর আগে দুজন কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে একটি মেরিন ইউনিট এবং আরও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

এই মেরিন ইউনিটটি সমুদ্রপথে আক্রমণ চালাতে সক্ষম এবং সাধারণত এটি কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে থাকা সর্বোচ্চ প্রায় ৫ হাজার মেরিন ও নাবিক নিয়ে গঠিত হয়। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বিবিসি মার্কিন সেনাবাহিনী এবং পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

খারগ দ্বীপ কোথায়, কেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র খারগ দ্বীপের ‌‌‌‘সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ বোমা হামলা চালিয়েছে। এটি ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত প্রায় ৫ মাইল লম্বা একটি ছোট দ্বীপ। এই দ্বীপকে ইরানের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

দ্বীপটিতে অল্প কিছু মানুষ বসবাস করে। বরং ইরানের রপ্তানি করা অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে যায়।

বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কার প্রথমে এই দ্বীপ থেকে তেল নিয়ে তারপর সেখান থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যায়। এর অন্যতম হলো চীন। দেশটি ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা।

টিটিএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।