ইরাকে তেল ট্যাঙ্কারে হামলায় ক্রু নিহত
ইরাকের কাছে দুটি তেল ট্যাঙ্কারে হামলায় কমপক্ষে এক ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি, সামরিক স্থাপনা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালাচ্ছে ইরান। তবে ইরাকে তেল ট্যাঙ্কারে হামলার পেছনে কারা দায়ী সে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়। খবর এএফপির।
ইরাকের জেনারেল কোম্পানি ফর পোর্টসের ফারহান আল-ফারতুসি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, তেল ট্যাঙ্কারে হামলায় এক ক্রু নিহত হয়েছেন। নিখোঁজদের খোঁজে উদ্ধার তৎপরতা চলছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত ৩৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
উপকূল থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার (৩০ মাইল) দূরে চালানো এই হামলার পেছনে কারা ছিল সে সম্পর্কেও বিস্তারিত জানা যায়নি।
তবে বৃহস্পতিবার ইরাকে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, হামলায় এক ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আরও ১৫ জন ভারতীয় ক্রু সদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ইরাকি সরকারের মিডিয়া সেল জাতীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএকে জানিয়েছে, দুটি ট্যাঙ্কারে নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। ইরাকের তেল মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, উপসাগরে তেল ট্যাঙ্কার সম্পর্কিত ঘটনা নিয়ে তাদের ‘গভীর উদ্বেগ’ রয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক করিডোর এবং জ্বালানি সরবরাহ রুটে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা আঞ্চলিক সংঘাত থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনকারী জলপথ হরমুজ প্রণালী প্রায় সকল তেল ট্যাঙ্কারের জন্য বন্ধ রয়েছে এবং ইরান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন উপসাগর থেকে এক লিটারও তেল রপ্তানি করা হবে না।
ইরাকের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল আল-ইখবারিয়া সমুদ্রে একটি জাহাজের ছবি সম্প্রচার করেছে যেখানে বিশাল আগুন থেকে ধোঁয়া উড়ছে। ইরাকের বসরা তেল টার্মিনালের এক কর্মচারী এএফপিকে বলেছেন, এটি ড্রোন হামলা নাকি বিস্ফোরকবাহী নৌকা তা স্পষ্ট নয়।
টিটিএন