ইরানের অবকাঠামোতে আরও হামলার হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের অবকাঠামোতে আরও জোরালো হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখনো পুরো অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি করছে এবং বৈশ্বিক আর্থিক বাজারেও প্রভাব ফেলছে। ফলে দ্রুত সমাধান খুঁজে বের করতে ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়ছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প তার বক্তব্য আরও কঠোর করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ইরানে যা অবশিষ্ট আছে, তা ধ্বংস করা আমরা এখনো শুরু করিনি। এরপর লক্ষ্য হবে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র। তিনি আরও বলেন, ইরানের নেতৃত্ব জানে কী করতে হবে এবং তা দ্রুত করতে হবে।
এর আগে তিনি তেহরান ও কারাজের মধ্যে নির্মাণাধীন একটি সেতুতে মার্কিন হামলার ভিডিও প্রকাশ করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ৮ জন নিহত এবং ৯৫ জন আহত হয়েছেন।
এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, অসম্পূর্ণ সেতুসহ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ইরানিদের আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে না।
এদিকে দক্ষিণ ইরানের বুশেহর প্রদেশের চোগাদাক এলাকায় রেড ক্রিসেন্টের একটি গুদামে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে, যাতে দুটি কন্টেইনার ধ্বংস হয়েছে।
এছাড়া, কেশম দ্বীপের বন্দর এলাকা থেকেও ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে, যা হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত গুরুত্বকে আরও সামনে এনেছে।
অন্যদিকে, ইরান ও তার মিত্ররাও উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা অব্যাহত রেখেছে। কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, তাদের মিনা আল-আহমাদি শোধনাগারে ড্রোন হামলায় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, যদিও এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সব মিলিয়ে, চলমান সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা গভীরতর হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স
এমএসএম